বারো ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন যেন কোনোমতে নির্বাচন দিয়ে আত্মরক্ষার চেষ্টা অথবা কোনোমতে ক্ষমতা হস্তান্তর না হয়। তফসিল ঘোষণা হওয়ার পরদিন নির্বাচনে প্রার্থীর প্রাণ নাশের চেষ্টা অনেক প্রশ্নর জন্ম দিবে বৈকি ! আজ হাদী গুলিবিদ্ধ হলেন। (আল্লাহ তাকে বাঁচিয়ে দিন।) কাল যে আরেকজন হবেন না, সেটা বলার কোনো সুযোগ নেই। এই নৃশংস ঘটনায় প্রমাণিত হয় সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠন করতে গেলে ইসির চ্যালেঞ্জ আরো বাড়বে। এ দেশের অতীত বাস্তবতা বলছে, নির্বাচন যতো নিকটে আসবে, সহিংসতা ততো বাড়বে। অথচ আজকের ঘটনায় সরকারের কোনো প্রস্তুতি আছে বলে মনে হয় না। আমরা আশাবাদী হতে চাই সরকারের আইনশৃংখলা বাহিনী আরো সক্রিয় হবে।
আমরা অন্যায়ভাবে কোনো প্রাণের বিনাশ চাই না। অনৈতিকভাবে কারো প্রতি কোনো হামলা চাই না। আমরা চাই যেকোনো ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তশেষে দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।
আমাদের প্রত্যাশা মানুষ ভয়মুক্ত হয়ে ভোট কেন্দ্রে যাবে। সেই পরিবেশ তৈরি করে দেওয়ার নৈতিক দায়িত্ব সরকারের।
